দীর্ঘ ২০ বছর পর অনুষ্ঠিত হলো রূপগঞ্জের কাঞ্চন বাজার পরিচালনা কমিটির নির্বাচন। শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটাররা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে তাদের পছন্দের প্রার্থীদের প্রতিকে ভোট প্রদান করেন। এবারের নির্বাচনে ১৩টি পদের বিপরীতে ২৭জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৮৬৫জন হলেও ভোট গ্রহণ হয়েছে ৮৩৬টি। যার মধ্যে বৈধ ভোট সংখ্যা ৮১৯টি।
ভোটাররা জানান, দীর্ঘদিন পর ভোট গ্রহণ করায় কাঞ্চন বাজার ও তার আশপাশে উৎসবের আমেজ বইছে। সকাল থেকেই ভোটাররা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীর প্রতিকে ভোট প্রদান করেন এবং যোগ্য ব্যক্তির হাতে বাজার পরিচালনা করার গুরুদায়িত্ব তুলে দেয়ার আশা ব্যক্ত করেন। প্রার্থীরাও তাদের নিজেদের প্রতিকের বিজয়ের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
এবাবের নির্বাচনে সভাপতি পদে মতিউর রহমান মতি (ছাতা প্রতিকে ৬২৩) ও বিল্লাল হোসেন (আনারস প্রতিকে ১৯৯) ভোট; সহ-সভাপতি পদে আমিনুল হক (কাপ পিরিচ ৪৭৪ ) ও হাজ্বী দেলোয়ার হোসেন (দেয়াল ঘড়ি ৩৫৪); সাধারণ সম্পাদক পদে আলমগীর হোসেন পন্ডিত (উটপাখি ২৫০), সাদ্দাম হোসেন মুরাদ (মাছ ২৪৭); সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে নুরুল হক (মোমবাতি ৪৮৫), নুরুল আমীন (পানির জগ ৩২৮); সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সোহেল মিয়া (ফুটবল ৩৩৯), কামাল হোসেন (হারিকেন ৩১০), অজিত দাস (মই ১২৪), সুজন (মোটরসাইকেল ৪৬); কোষাধ্যক্ষ পদে খবির উদ্দিন (কবুতর ৩৯২), শরিফ আপন (টেবিল ৩০৪), সদস্য পদে ৬জনের মধ্যে ৫জন নির্বাচিত হন, আনোয়ার হোসেন (আম ৬৭৩), কৃর্ত্তি চন্দ্র দাস (আপেল ৬২২), আতিকুর রহমান (সেলাই মেশিন ৫৭৩), জীবণ দাস (মোরগ ৫৩৩), হানিফ মিয়া (কাঁঠাল) ভোট পান। এছাড়া ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও প্রচার বিষয়ক সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্ধী না থাকায় তারা বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় বিজয়ী হন।
নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বে ছিলেন হামিদুল হক খাঁন। এছাড়াও নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন জামান, এস আলম রিপন, তারিকুল ইসলাম বিপুল, মহিবুর রহমান, হালিম খাঁন, মামুন, করিম ভূঁইয়া।


