হুয়াওয়ে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতের জন্য উন্নত এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম LUNA2000-241KWH-251 সিরিজ বাজারে নিয়ে এসেছে। 

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানী ঢাকার একটি আভিজাত হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সিরিজটির উন্মোচন করা হয়।

অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়া রিজিয়নের প্রেসিডেন্ট ও হুয়াওয়ে বাংলাদেশের সিইও জেসন উ, হুয়াওয়ে ডিজিটাল পাওয়ারের এপ্যাক সি অ্যান্ড আই অ্যান্ড রেসিডেনশিয়াল বিজনেস ডিপার্টমেন্ট-এর প্রেসিডেন্ট হে লেই, হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়া ডিজিটাল পাওয়ারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইউ জিয়ানলং এবং ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইইই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সেন্টার ফর এনার্জি রিসার্চ-এর পরিচালক মো. শাহরিয়ার আহমেদ চৌধুরী সিরিজটি উদ্বোধন করেন।

এসময় শিল্পখাতের বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ, কলকারখানার মালিক/স্বত্বাধিকারী এবং ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রোকিউরমেন্ট ও কনস্ট্রাকশন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শীর্ষ শিল্প সংগঠনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

বর্তমানে শিল্পখাত পরিচালন ব্যয় ও জ্বালানি ব্যবহারের/স্থিতিশীলতার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে গিয়ে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে হুয়াওয়ের নতুন LUNA2000 সিরিজ একটি কার্যকর সমাধান হতে পারে। দেশীয় বাজারের চাহিদা অনুযায়ী প্রস্তুত করা এই সিস্টেমটি স্থানীয় কারখানাগুলোকে জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় একটি শক্তিশালী, উচ্চ দক্ষতা সম্পন্ন এবং নিরাপদ সমাধান প্রদান করে।

হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়া রিজিয়নের প্রেসিডেন্ট ও হুয়াওয়ে বাংলাদেশের সিইও জেসন উ বলেন, “বাংলাদেশ বিদ্যুৎ বাবহারের দক্ষতা, টেকসই উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নিশ্চিত করার জন্য সৌর শক্তির প্রয়োগ বৃদ্ধি করছে। আমাদের ডিজিটাল পাওয়ার সল্যুশনের মাধ্যমে বাংলাদেশে ৪৩০ মিলিয়ন কিলোওয়াট ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনে সহায়তা করতে পেরে আমরা আনন্দিত। এর পাশাপাশি আমাদের প্রযুক্তি পরিবেশবান্ধব হওয়ায় এ পর্যন্ত দেশে দুই লাখ টনেরও বেশি কার্বন নিঃসরণ কমানো সম্ভব হয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে যেমন আমরা এই খাতে উন্নত সমাধান দিয়ে সহায়তা করে আসছি, ভবিষ্যতেও তেমনি সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে চাই।”

হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়া ডিজিটাল পাওয়ারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইউ জিয়ানলং বলেন, “হুয়াওয়ের পিভি ও ইএসএস সমাধান ইতোমধ্যেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। বাংলাদেশের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার অনুযায়ী সর্বাধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে আমরা আরও উন্নত এনার্জি স্টোরেজ এনেছি। আমাদের নতুন সল্যুশনে উন্নত নিরাপত্তার জন্য সেল-টু-কনজাম্পশন ডুয়াল-লিংক সেফটি আর্কিটেকচার ব্যবহার করা হয়েছে এবং আধুনিক হাইব্রিড কুলিং প্রযুক্তির মাধ্যমে ৯১.৩%, রাউন্ড-ট্রিপ দক্ষতা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। এটি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা এবং শিল্প সক্ষমতা দ্রুত বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

এই নতুন বিইএসএস (ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম)-এ একটি বিশেষ ‘প্যাক অপ্টিমাইজার’ ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাটারির শতভাগ শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করে। এর ফলে ব্যাটারির পূর্ণ সক্ষমতা কাজে লাগানো সম্ভব হয়। পাশাপাশি, একটি অ্যাক্টিভব্যালেন্সিং মডিউল’ ব্যাটারির সক্ষমতা বাড়িয়ে স্টেট অব হেলথ (SOH) উন্নত রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া এর Smart O&M স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাটারির চার্জের মাত্রা (SOC) নিয়ন্ত্রণ করে।

Share.
Leave A Reply

Exit mobile version